<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Abrar Fahad Archive</title>
	<atom:link href="/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link></link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Tue, 06 Oct 2020 19:00:57 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=5.5.1</generator>
	<item>
		<title>মুক্তির গল্প</title>
		<link>/2020/10/06/tale-of-freedom/</link>
					<comments>/2020/10/06/tale-of-freedom/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 Oct 2020 14:30:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্মৃতিচারণ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://abrarfahadarchive.org/?p=2330</guid>

					<description><![CDATA[বুয়েটে ক্লাস শুরু করার পর আমার সবথেকে বিরক্ত যে জিনিসগুলো লাগত তার মধ্যে একটা হচ্ছে “বুয়েটের মাটি ছাত্রলীগের ঘাটি” শ্লোগান টা। হলে থাকার কারণে ছোট বড় যেকোনো মিছিলেই সবার যাওয়াটা বাধ্যতামূলক ছিল যার জন্য শুরুর দিকে বাধ্য হয়েই যাওয়া লাগত। আর যেহেতু আমার গলার আওয়াজও অনেক উচু এটা মোটামুটি সোহরাওয়ার্দী হলের সবাই জানত, তাই মাঝেমধ্যে &#8230;<p class="read-more"> <a class="" href="/2020/10/06/tale-of-freedom/"> <span class="screen-reader-text">মুক্তির গল্প</span> Read More &#187;</a></p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-medium-font-size">বুয়েটে ক্লাস শুরু করার পর আমার সবথেকে বিরক্ত যে জিনিসগুলো লাগত তার মধ্যে একটা হচ্ছে “বুয়েটের মাটি ছাত্রলীগের ঘাটি” শ্লোগান টা। হলে থাকার কারণে ছোট বড় যেকোনো মিছিলেই সবার যাওয়াটা বাধ্যতামূলক ছিল যার জন্য শুরুর দিকে বাধ্য হয়েই যাওয়া লাগত। আর যেহেতু আমার গলার আওয়াজও অনেক উচু এটা মোটামুটি সোহরাওয়ার্দী হলের সবাই জানত, তাই মাঝেমধ্যে শ্লোগান দিতেও হয়েছিল। তখন এই শ্লোগানটার প্রতি ক্ষোভ কোন লেভেলের ছিল তা বলে বোঝানোর মত না। </p>



<p class="has-medium-font-size">তাই ১১ তারিখ রাতে অবশেষে যখন ভিসি স্যার তার মুখ থেকে ঠিক এই শব্দগুলো উচ্চারণ করেন যে “আমি আমার নিজস্ব ক্ষমতাবলে এই মুহুর্তে বুয়েট থেকে সকল সাংগঠনিক রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করছি”, তখন আমার খুশির শেষ ছিল না! হ্যা টেনশন ছিল যে এই মুখের বলি আর ঠিক কতদিন টিকবে। কিন্তু আমার মনে হয় আমাদের কমবেশি সবার জন্যই সেই মুহুর্তটা অন্যরকম ঐতিহাসিক ছিল।</p>



<p class="has-medium-font-size">সেদিন একদম সকাল থেকে প্রচুর ধকল যাওয়ার জন্য প্রচন্ড টায়ার্ড ছিলাম। বিশেষ করে ভিসি স্যার তার নিজের নিরাপত্তার দায়িত্ব দিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপরে। ব্যপারটা খুবই উইয়ার্ড যে একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তার নিজ ক্যাম্পাসে নিরাপত্তার জন্য শিক্ষার্থীদের দিকে ফিরে তাকিয়েছেন। আমার মনে হয় তিনি নিরাশ হননি। তার নিরাপত্তার জন্য তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ১৭ ব্যাচ থেকে আমরা পেশ করি পৌনপুনিক ১৫ এর কাছে। </p>



<p class="has-medium-font-size">আমার স্পষ্ট মনে আছে, আমাদের প্ল্যানগুলো বলার সময় সৌমেনদা বলেছিলেন, “তোরা যে ভিসিকে এরকম NSI লেভেলের নিরাপত্তা দেয়ার প্ল্যান করতেছিস, এটা করতে পারবি তো?” আমরা পারছিলাম! সেদিন ভিসি স্যার চলে গেলে আমি ১৭ ব্যাচের আরো কিছু বন্ধুসহ লীগকর্নারে যাই। এই জায়গাটা তারা ব্যবহার করত নিজেদের রাজনৈতিক মিটিং এর জন্য। সেখানে আমাদের আগেই কেউ এসে ছাত্রলীগের লোগো এবং নাম মুছে দিয়েছিল।</p>



<p class="has-medium-font-size">নিজেদের ঘৃণার জায়গা থেকে আমরা আরো কয়বার সাদা রঙ এবং তুলি নিয়ে সদ্য মিশে দেয়া লোগোর উপর ঘষামাজা করি। কেউ একজন লীগকর্নারের পাশের কাঁচের দেয়ালটাতে খুব সুন্দর করে মুক্তিকর্নার লিখে দিয়েছিল। আসলেই তো সেদিন মুক্তি মনে হয়! আমার জন্য মুক্তি ছিল এই যে এরপর থেকে আর বুয়েটের মাটিকে ছাত্রলীগের ঘাটি নাম শুনতে হবে না। এটা তো সাধারণ শিক্ষার্থীদের ঘাটি, তাই না? কিভাবে কোনো রাজনৈতিক দল জায়গাটাকে একদম নিজেদের ঘাটি বলে দাবি করে বসে? সেদিন হলে যখন ফেরত আসি, দেখলাম ডাইনিং এ এক বড় ভাই বুয়েট থেকে হলে হলে দেয়া নোটিশ গুলো থেকে একটা একটা করে নিয়ে যাচ্ছে। </p>



<p class="has-medium-font-size">এখানে ১৯ ব্যাচের জন্য একটু বলি, বুয়েটে সাধারণত কোনো নোটিশ আসলে সেটা হলে হলে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য একটা করে হিসাবে পাঠানো হত। সোহরাওয়ার্দী হলে সেগুলো সব ডাইনিং এ এক জায়গায় রাখা হত এবং যার ইচ্ছা সে নিয়ে যেত। আমি ভাইকে জিজ্ঞাসা করলাম যে এগলো নিয়ে কি করবেন, নোটিশ তো জানাই আছে। ভাই বললেন “এগলো লেমিনেটিং করে দেয়ালে ঝুলায় রাখব”। আসলেই বুয়েটের তৎকালীন রাজনীতির প্রতি মানুষের ক্ষোভের লেভেল কতদুর ছিল তা বুঝা যায়। সেদিন বারবার মনে হচ্ছিল রাজনীতি তো গেল, বাকি দাবিগুলোও হয়ত পূরণ হবে, বিচারও হয়ত হবে। কিন্তু এসব কার জন্য হলো? </p>



<p class="has-medium-font-size">ফাহাদ যদি মারা না যেত, তাহলে সিচুয়েশন পুরো উলটো হত না কি? শিবির সন্দেহে পিটিয়ে হল থেকে বের করে দেয়ার ঘটনা তো আসলে একটা না, আরো ছিল। ভাগ্যটা খারাপ শুধু ফাহাদের, তাকে মরতে হয়েছে। তার জীবনের মূল্য দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে রাজনীতি নামের যেই কীট ছিল সেটা দূর করা গেছে। আমার মনে হয় এই ব্যপার টা সবার নিজেদের মধ্যে অনুধাবন করা উচিত। এবং বছরের পর বছর এই অনুধাবন টা যদি টিকে রাখতে পারি তাহলেই শুধুমাত্র ক্যাম্পাস ভবিষ্যতেও রাজনীতি মুক্ত থাকতে পারবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>/2020/10/06/tale-of-freedom/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>২ নভেম্বর, ২০১৯</title>
		<link>/2020/10/05/2-nov-2019/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Oct 2020 14:15:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আন্দোলনের দিনগুলি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://abrarfahadarchive.org/?p=2187</guid>

					<description><![CDATA[দাবী মানার ব্যাপারে নোটিশে প্রতিশ্রুতি আর ১৬ অক্টোবর শপথের মধ্যদিয়ে রাস্তার আন্দোলনের বন্ধ হলেও, দাবীগুলোকে বাস্তবে রূপান্তর করার জন্য ভারপ্রাপ্ত ডিএসডব্লিউ বাসিথ স্যারের সাথে এবং ডিএসডাব্লিউ মিজান স্যার দেশে আসার পর উনার সাথে দুইদিন ছাত্রছাত্রীদের প্রতিনিধিরা আলোচনা করে। ওই আলোচনায় বার বার দ্রুত দাবী বাস্তবায়নের চাপ দিলেও উনি ভিসি স্যার, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল এর কথা বলে &#8230;<p class="read-more"> <a class="" href="/2020/10/05/2-nov-2019/"> <span class="screen-reader-text">২ নভেম্বর, ২০১৯</span> Read More &#187;</a></p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-medium-font-size">দাবী মানার ব্যাপারে নোটিশে প্রতিশ্রুতি আর ১৬ অক্টোবর শপথের মধ্যদিয়ে রাস্তার আন্দোলনের বন্ধ হলেও, দাবীগুলোকে বাস্তবে রূপান্তর করার জন্য ভারপ্রাপ্ত ডিএসডব্লিউ বাসিথ স্যারের সাথে এবং ডিএসডাব্লিউ মিজান স্যার দেশে আসার পর উনার সাথে দুইদিন ছাত্রছাত্রীদের প্রতিনিধিরা আলোচনা করে। ওই আলোচনায় বার বার দ্রুত দাবী বাস্তবায়নের চাপ দিলেও উনি ভিসি স্যার, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল এর কথা বলে বিভিন্ন ভাবে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছিলেন এবং আস্তে আস্তে আমাদের উপরও চাপ দেয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। এমতাবস্থায় ভিসি স্যার সহ সব স্টুডেন্টরা মিলে আরেকটা ফরমাল মিটিং এর প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।আমাদের দাবী ছিলো মিটিং টা যাতে আবার অডিটোরিয়ামে হয়, কিন্তু ভিসি স্যার কোনভাবেই রাজি না। উনার প্রস্তাব ছিলো আমাদের ১০-২০ জনের প্রতিনিধি উনার রুমে দেখা করবে, পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা থেকে আমরাও সেই প্রস্তাবে রাজি হইনি। শেষ পর্যন্ত অথোরিটি থেকে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল ভবনে আমাদের ১২০ জন নিয়ে মিটিং করার প্রস্তাব দিলে সব দিক বিবেচনা করে রাজি হই। সেই প্রেক্ষিতে ২ নভেম্বর অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল ভবনে সব ব্যাচ, ডিপার্টমেন্ট,হল মিলিয়ে ছাত্রদের প্রায় ১২০ জন প্রতিনিধি, ভিসি স্যার, ডিএসডাব্লিউ, বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের ডীন স্যারদের নিয়ে মিটিং ঠিক হয়৷ দুপুর ২টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ২ঃ৩০ এর দিকে মিটিং শুরু হয়৷&nbsp;</p>



<p class="has-medium-font-size">ওইদিন ছাত্রছাত্রীদের পক্ষ থেকে ঠিক করে দেওয়া দাবীগুলো থেকে বাস্তবায়ন না হওয়া সব দাবী থাকলেও কয়েকটা দাবীর উপর খুব জোর দেয়া হবে বলে ঠিক করা হয়। সেগুলো হলোঃ-&nbsp;</p>



<p class="has-medium-font-size">১)খুনীদের সবার নাম, আইডিসহ স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের নোটিশ যাতে দ্রুত দেয়া হয়।</p>



<p class="has-medium-font-size">২) সাংগঠনিক ছাত্ররাজনীতি বন্ধের অফিসিয়াল নোটিশ আসা। তাতে একদম পুংখানুপুংখ ভাবে কি ধরণের কাজের জন্য কি কি শাস্তি সেটা যাতে উল্লেখ থাকে। আর বুয়েটে অর্ডিন্যান্স এ যাতে সেটা যোগ করা হয়।</p>



<p class="has-medium-font-size">৩) আগের র&#x200d;্যাগিং এর বিচার দ্রুত শেষ করা।</p>



<p class="has-medium-font-size">৪) আবরারের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ আর মামলার খরচ বুয়েট চালানোর প্রসংগে।</p>



<p class="has-medium-font-size">মিটিং এর শুরুর দিকে স্যারদের পক্ষ থেকে কিছু ব্যাপারে আন্তরিকতা দেখা যায় যেমন স্যাররা আশ্বস্ত করেন খুব দ্রুতই তাদের স্থায়ী বহিষ্কারাদেশ আসবে। ওই আদেশের প্রক্রিয়াকে নির্ভুল করতেই সময় নেয়া হচ্ছে। কিন্তু অন্যান্য ব্যাপার আগের মতই শুধুই মৌখিক আশ্বাস আসতে থাকে। অডিন্যান্সের ব্যাপারে বলা হয় ব্যাপার&#x200d;টা অনেক দীর্ঘ এবং ওতটা গুরুত্বপূর্ণও না। কিন্তু আমরা এই ব্যাপারে আগের জায়গায় অনড় থাকি যে সাংগঠনিক ছাত্ররাজনীতি বন্ধ ও সুনির্দিষ্ট অপরাধের জন্য সুনির্দিষ্ট শাস্তির নোটিশ ছাড়া আমাদের এই দাবীটা পূরণ হবে না। এরপর থেকেই আসলে মিটিং কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে উঠে। মিজান স্যার সহ অন্য স্যাররা তাড়াতাড়ি ক্লাস শুরুর জন্য প্রেশার দিতে থাকে। একটা সময় এমন মনে হতে থাকে উনারা আমাদের প্রচ্ছন্ন হুমকি দিচ্ছেন। র&#x200d;্যাগিং এর শাস্তির ক্ষেত্রে আগের তিনটি ঘটনায় ঢালাও ভাবে অনেক বেশি শাস্তি দিয়ে অন্য গুলা বাদ দিতে চান। সেখানেও আমরা আপত্তি জানিয়ে আসি আমরা যথার্থ শাস্তি চাই যে যেই অপরাধ করেছে তার সেই অপরাধের ভিত্তিতে।</p>



<p class="has-medium-font-size">আর আবরারের মামলার খরচ ও পরিবারকে ক্ষতিপূরণের প্রশ্নে অথোরিটি থেকে জানানো হয় বুয়েট সব রকমের সাহায্য করতে প্রস্তুত আবরারের পরিবার থেকে যোগাযোগ করলেই হবে। কিন্তু আমাদের দাবী ছিলো বুয়েট নিজে থেকে আবরারের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করার জন্য।&nbsp;</p>



<p class="has-medium-font-size">প্রায় তিন ঘন্টার আলোচনার পর সাধারণ স্টুডেন্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয় তিনটা দাবীর বাস্তবায়ন হলে সবাই আবার অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে ফিরে যেতে রাজি হবো।সেই তিন দাবী হলোঃ-</p>



<p class="has-medium-font-size">১) অনতিবিলম্বে সব খুনীদের নাম আইডি সব স্থায়ী বহিষ্কারাদেশের নোটিশ</p>



<p class="has-medium-font-size">২)সাংগঠনিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ মর্মে নোটিশ এবং ঠিক কি কি অপরাধের জন্য কি কি শাস্তি সেটা সুনির্দিষ্টভাবে সেই নোটিশে উল্লেখ থাকতে হবে।</p>



<p class="has-medium-font-size">৩)আগের র&#x200d;্যাগিং এর ঘটনার মধ্যে তিনটি ঘটনার (আহসানউল্লাহ হল, সোহরাওয়ার্দী হল ও তিতুমীর হল) মীমাংসা করা।</p>



<p class="has-medium-font-size">যেই আশা থেকে এই মিটিং ছিলো সেই দিক থেকে বলতে গেলে সাধারণ স্টুডেন্ট এবং প্রশাসন কোন দিক থেকেই আসলে খুব একটা মতানৈক্যে পৌঁছানো যায়নি। উপরন্তু শেষ দিকে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার জন্য চাপ প্রদান আর প্রচ্ছন্ন হুমকি দেয়ার কারণে স্টুডেন্টদের মনে কিছুটা চাপা ক্ষোভেরও জন্ম নেয়।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>১৬ অক্টোবর, ২০১৯</title>
		<link>/2020/10/05/16-oct-2019/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Oct 2020 14:14:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আন্দোলনের দিনগুলি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://abrarfahadarchive.org/?p=2185</guid>

					<description><![CDATA[নতুন ভোরের দিন। ১৫ তারিখের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে শপথ গ্রহণের পালা। সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ক্যাম্পাসে আসতে থাকে। আগের ১১ অক্টোবর অডিটোরিয়ামের নিরাপত্তার দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের উপর দেওয়া হলেও এদিন প্রশাসন পুলিশের সহায়তায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এগারোটা থেকে অডিটোরিয়ামে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রবেশ করতে শুরু করেন। বেলা বারোটার পর মাননীয় উপাচার্য উপস্থিত হলে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান &#8230;<p class="read-more"> <a class="" href="/2020/10/05/16-oct-2019/"> <span class="screen-reader-text">১৬ অক্টোবর, ২০১৯</span> Read More &#187;</a></p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-medium-font-size">নতুন ভোরের দিন।</p>



<p class="has-medium-font-size">১৫ তারিখের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে শপথ গ্রহণের পালা। সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ক্যাম্পাসে আসতে থাকে। আগের ১১ অক্টোবর অডিটোরিয়ামের নিরাপত্তার দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের উপর দেওয়া হলেও এদিন প্রশাসন পুলিশের সহায়তায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।</p>



<p class="has-medium-font-size">এগারোটা থেকে অডিটোরিয়ামে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রবেশ করতে শুরু করেন। বেলা বারোটার পর মাননীয় উপাচার্য উপস্থিত হলে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ১৫ ব্যাচের নিরব আরেফিন। শপথবাক্য পাঠ করান ১৭ ব্যাচের রাফিয়া রিজওয়ানা।</p>



<p class="has-medium-font-size">প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাননীয় উপাচার্য ড সাইফুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত ছাত্রকল্যাণ পরিচালক ড আবদুল বাসিত, এবং আবাসিক হলগুলোর প্রভোস্ট মহোদয়েরা ভবিষ্যতে যাতে আর বুয়েট ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সহিংসতার কারনে কাউকে জীবন হারাতে না হয় সেজন্য শপথ গ্রহণ করেন। সাধারণ শিক্ষকমন্ডলী উপস্থিত থেকে শপথপাঠ পর্যবেক্ষণ করেন।&nbsp;&nbsp;</p>



<p class="has-medium-font-size">শপথপাঠের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের আন্দোলনের ইতি টানে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু খুনিদের স্থায়ী বহিষ্কার এবং র&#x200d;্যাগিং ও ছাত্ররাজনীতির নিষিদ্ধকল্পে পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়নসহ কিছু দাবিতে একাডেমিক কার্যক্রম বর্জনের কর্মসূচি চলমান থাকে।</p>



<p class="has-medium-font-size">এছাড়া এদিন জোহরের নামাযের পর আবরারের পারলৌকিক শান্তি কামনায় বুয়েটের ইইই বিভাগ দোয়া মাহফিল আয়োজন করে, যেখানে ইইই বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>১৫ অক্টোবর, ২০১৯</title>
		<link>/2020/10/05/15-oct-2019/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Oct 2020 14:14:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আন্দোলনের দিনগুলি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://abrarfahadarchive.org/?p=2183</guid>

					<description><![CDATA[বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার জন্য দুইদিন স্থগিত থাকা আন্দোলন আবার মাঠে ফিরে আসে এইদিন। সকালে সমবেত হওয়ার পর, সকল ব্যাচের মধ্যে দফায় দফায় আলোচনার পর একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি উঠে আসে &#8211; &#8220;সকল প্রকার র‍্যাগিং এর জন্য শাস্তির একটি নীতিমালা তৈরি করা&#8221;।&#160; আরো সিদ্ধান্ত হয়, যেহেতু পূর্ববর্তী দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য গৃহীত পদক্ষেপ দৃশ্যমান হচ্ছে, পাশাপাশি কিছু দাবি &#8230;<p class="read-more"> <a class="" href="/2020/10/05/15-oct-2019/"> <span class="screen-reader-text">১৫ অক্টোবর, ২০১৯</span> Read More &#187;</a></p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-medium-font-size">বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার জন্য দুইদিন স্থগিত থাকা আন্দোলন আবার মাঠে ফিরে আসে এইদিন। সকালে সমবেত হওয়ার পর, সকল ব্যাচের মধ্যে দফায় দফায় আলোচনার পর একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি উঠে আসে &#8211; &#8220;সকল প্রকার র&#x200d;্যাগিং এর জন্য শাস্তির একটি নীতিমালা তৈরি করা&#8221;।&nbsp; আরো সিদ্ধান্ত হয়, যেহেতু পূর্ববর্তী দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য গৃহীত পদক্ষেপ দৃশ্যমান হচ্ছে, পাশাপাশি কিছু দাবি ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছ, তাই মাঠের সক্রিয় আন্দোলন আপাতত স্থগিত রাখা হবে। তবে ৫ টি দাবি, যাদের বাস্তবায়ন সম্পূর্ণভাবে বুয়েটকর্তৃপক্ষের হাতে, তাদের পূর্ণ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত সকল একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এইদিন আরো সিদ্ধান্ত হয় বুয়েটে যেন নোংরা রাজনীতি ও র্্যাগিংয়ের কালো ছায়া আর ফিরে না আসে, সেই লক্ষ্যে পরদিন সকল শিক্ষার্থী, প্রশাসনিক কর্মকর্তারা শপথ নেবে।&nbsp;</p>



<p class="has-medium-font-size">পরবর্তীতে বিকালে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে সংবাদমাধ্যমকে ছাত্রদের এই অবস্থান স্পষ্ট করে জানানোর মাধ্যমে দিনের সমাপ্তি হয়।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>১৪ অক্টোবর, ২০১৯</title>
		<link>/2020/10/05/14-oct-2019/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Oct 2020 14:13:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আন্দোলনের দিনগুলি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://abrarfahadarchive.org/?p=2181</guid>

					<description><![CDATA[আন্দোলনের বিরতির দ্বিতীয় দিন চলছে। এই দিন বুয়েটের স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা ছিলো। সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টিগুলোতে এবং দুপুর ২ টা থেকে স্থাপত্য বিভাগের পরীক্ষা নির্ধারিত ছিল। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদেরদের পূর্ণ&#160; সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরীক্ষা চলাকালীন অভিভাবকদের পানি ও নাস্তার সরবরাহ, পরীক্ষা &#8230;<p class="read-more"> <a class="" href="/2020/10/05/14-oct-2019/"> <span class="screen-reader-text">১৪ অক্টোবর, ২০১৯</span> Read More &#187;</a></p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-medium-font-size">আন্দোলনের বিরতির দ্বিতীয় দিন চলছে। এই দিন বুয়েটের স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা ছিলো। সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টিগুলোতে এবং দুপুর ২ টা থেকে স্থাপত্য বিভাগের পরীক্ষা নির্ধারিত ছিল। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদেরদের পূর্ণ&nbsp; সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরীক্ষা চলাকালীন অভিভাবকদের পানি ও নাস্তার সরবরাহ, পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা এগিয়ে আসে। প্রায় ৬০০০ পানির বোতল শিক্ষার্থীদের অর্থায়নে বিলি করা হয়।&nbsp;</p>



<p class="has-medium-font-size">বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা এইদিন উপস্থিত অভিভাবকদের কাছ থেকে আবরার ফাহাদের অকালমৃত্যুতে শোক ও সহমর্মিতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে গণস্বাক্ষর নেয়।</p>



<p class="has-medium-font-size">আববার ফাহাদ হত্যাকান্ড আন্দোলনের মধ্যে এই “পাবলিক” পরীক্ষার অনেক গুরুত্ব ছিলো। কিন্তু আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা তাদের দাবিতে অনড় ছিলো – যতক্ষণ না পর্যন্ত ১০ টি দাবি পূরণ হচ্ছে, ততদিন মাঠে থাকার প্রতিজ্ঞাতে তারা অবিচল ছিল।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>১৩ অক্টোবর, ২০১৯</title>
		<link>/2020/10/05/13-oct-2019/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Oct 2020 14:12:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আন্দোলনের দিনগুলি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://abrarfahadarchive.org/?p=2179</guid>

					<description><![CDATA[১২ অক্টোবর, ২০১৯ তারিখ দুপুরের সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আসন্ন ভর্তি পরীক্ষাকে সামনে রেখে ১৩ এবং ১৪ অক্টোবর, দুইদিনের জন্য আন্দোলন শিথিল রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এসময়ে শিক্ষার্থীরা জানান যে তারা সুষ্ঠভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য সকল ধরণের সহযোগীতা করবেন। বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক এসোসিয়েশন তাদের নিজস্ব টেবিল নিয়ে বুথ &#8230;<p class="read-more"> <a class="" href="/2020/10/05/13-oct-2019/"> <span class="screen-reader-text">১৩ অক্টোবর, ২০১৯</span> Read More &#187;</a></p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-medium-font-size">১২ অক্টোবর, ২০১৯ তারিখ দুপুরের সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আসন্ন ভর্তি পরীক্ষাকে সামনে রেখে ১৩ এবং ১৪ অক্টোবর, দুইদিনের জন্য আন্দোলন শিথিল রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এসময়ে শিক্ষার্থীরা জানান যে তারা সুষ্ঠভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য সকল ধরণের সহযোগীতা করবেন। বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক এসোসিয়েশন তাদের নিজস্ব টেবিল নিয়ে বুথ বসানোর ব্যবস্থা করত ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারকে যেকোন ধরণের সহযোগীতা করার জন্য। এবং একইসাথে প্রতিবছর বুয়েট ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের পানি বিতরণের ব্যবস্থা করা হত। যেহেতু এই বছর বুয়েটে রাজনীতি নিষিদ্ধ, তাই র&#x200d;্যাগ ব্যাচ পৌনঃপুনিক ১৫ থেকেই এমন অনুরূপ কাজের সিদ্ধান্ত নেয়া নয়। এক্ষেত্রে তাদের পক্ষ থেকে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্তগুলি নেয়া হয়ঃ</p>



<p class="has-medium-font-size">১। তিতুমীরের পকেট গেট থেকে সোহরাওয়ার্দী পর্যন্ত আমাদের বুয়েটের আঞ্চলিক এসোসিয়েশনগুলোর টেবিল বসবে। আকারে যেসব এসোসিয়েশন বড় তারা ২টা টেবিল নিবে, যাদের আকার ছোট তারা টেবিল শেয়ার করবে।</p>



<p class="has-medium-font-size">২। পলাশী ক্যাম্পাসে ভীড় কমানোর জন্য এসোসিয়েশনগুলোর একত্রিত হয়ে বসা হবেনা। যেসব এসোসিয়েশনের টেবিল দুইটা তাদের কেউ কেউ এইখানে একটা টেবিল দিতে পারে।</p>



<p class="has-medium-font-size">৩। মোট টেবিল ১৯টা টেবিলে কারা বসতেছে সেইটা লেখা কাগজ/ব্যানার টেবিলে থাকবে ছোট করে।&nbsp;</p>



<p class="has-medium-font-size">৪। প্রতিবারের মতই এসোসিয়েশনগুলো নিজ নিজ ইনফরমেশনাল বুথ করবে। বুথগুলো অতিরিক্ত ক্যালকুলেটার, কলম নিয়ে প্রস্তুত থাকবে যাতে চাহিবামাত্র ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের দিয়ে সাহায্য করা যেতে পারে। কেউ ব্যাগ মোবাইল পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে জমা রাখতে চাইলে সেটাও করতে পারবে।</p>



<p class="has-medium-font-size">যেহেতু ক্যাম্পাসে কোনো সাংগঠনিক রাজনীতি থাকবে না তাই তাদের পরিবর্তে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে অপেক্ষমান অভিভাবক এবং স্টুডেন্টদের জন্য পানি বিতরণ করবে। এ উদ্দেশ্যে কারেন্ট ব্যাচের সকল শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা তোলার ব্যবস্থা করা হয় এবং অতিরিক্ত যে টাকা বেচে যাবে তা পরবর্তীতে আন্দোলনের খরচে ব্যয় করা হবে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।</p>



<p class="has-medium-font-size">৫। আবরার ফাহাদের অকালমৃত্যুতে শোক এবং সহমর্মিতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাসে উপস্থিত ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কাছে গনসাক্ষর নেয়া হবে।</p>



<p class="has-medium-font-size">এলাকাভিত্তিক এসোসিয়েশনগুলোর বুথ বসানোর জন্য বেশ কাঠামোগতভাবে ব্যবস্থা নেয়া হয় এবং সে অনুযায়ী ১৩ অক্টোবর, ২০১৯ ইং তারিখ রাতেই এলাকাভিত্তির এসোসিয়েশনগুলোর বুথ বসানো হয়। কিন্তু ১৩ তারিখ রাতেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবগুলো এলাকাভিত্তিক এসোসিয়েশনের টেবিল এবং বুথ তুলে দেয়া হয়। তুলে দেয়ার পক্ষে প্রশাসন থেকে জানানো হয় যে যেহেতু সকল ধরণের সাংগঠনিক রাজনীতি নিষিদ্ধ, তাই বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিষদকর্তৃক অনুমোদিত ক্লাবগুলো ছাড়া কোনো ধরণের শিক্ষার্থীদের সংগঠন বুয়েটে নিষিদ্ধ। যেহেতু কোনো এলাকাভিত্তিক সংগঠনই বুয়েটে ছাত্রকল্যাণ পরিষদকর্তৃক অনুমোদিত নয়, তাই নিষিদ্ধ এই সংগঠনগুলোর কোনোরকম বুথ বা টেবিল ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীদের সাহায্যের উদ্দেশ্যে বসানো যাবেনা।&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>১২ অক্টোবর, ২০১৯</title>
		<link>/2020/10/05/12-oct-2019/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Oct 2020 14:11:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আন্দোলনের দিনগুলি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://abrarfahadarchive.org/?p=2177</guid>

					<description><![CDATA[১১ অক্টোবর, ২০১৯ ইং তারিখে বুয়েটের তৎকালীন ভিসি ড. সাইফুল ইসলাম সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনায় বসেন। সেই আলোচনা সভায় বুয়েটে সকল প্রকার সাংগঠনিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার ঘোষণা আসে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের অবস্থান জানিয়ে দেন ১১ তারিখ রাতেই। তবে সামান্য ভুল বোঝাবুঝির জন্য সাধারণ শিক্ষার্থীদের অবস্থান মিডিয়াতে ভুলভাবে উপস্থাপিত হয় এবং সেই ভুল &#8230;<p class="read-more"> <a class="" href="/2020/10/05/12-oct-2019/"> <span class="screen-reader-text">১২ অক্টোবর, ২০১৯</span> Read More &#187;</a></p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-medium-font-size">১১ অক্টোবর, ২০১৯ ইং তারিখে বুয়েটের তৎকালীন ভিসি ড. সাইফুল ইসলাম সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনায় বসেন। সেই আলোচনা সভায় বুয়েটে সকল প্রকার সাংগঠনিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার ঘোষণা আসে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের অবস্থান জানিয়ে দেন ১১ তারিখ রাতেই। তবে সামান্য ভুল বোঝাবুঝির জন্য সাধারণ শিক্ষার্থীদের অবস্থান মিডিয়াতে ভুলভাবে উপস্থাপিত হয় এবং সেই ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটাতে ১২ অক্টোবর পুনরায় প্রেস ব্রিফিং করা হয়।&nbsp;</p>



<p class="has-medium-font-size">১২ অক্টোবর সকাল থেকে তেমন কোনো আনুষ্ঠানিকতা না থাকলেও বিভিন্ন ব্যাচের নিজেদের মধ্যে আলোচনা চলে। এবং সকল আলোচনা শেষে সব পারিপার্শ্বিকতা চিন্তা করেই দুপুর প্রায় ২:১৫ টার দিকে প্রেস ব্রিফিং করা হয়। এসময়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে জানানো হয় যে, আন্দোলন যেই দশটি দফা নিয়ে, সেই দশটি দফার প্রতিটির দৃশ্যমান প্রয়োগ না দেখা পর্যন্ত আন্দোলন থামবে না। যদিও প্রশাসন ইতিমধ্যে আশ্বাস দিয়েছেন যে প্রতিটি দাবি গুরুত্বসহকারে মেনে নেয়া হবে, তারপরও যেহেতু অতীতে প্রশাসন একই রকম আশ্বাস দেয়ার পরেও শিক্ষার্থীদের কোনো দাবিরই প্রকৃতপক্ষে প্রয়োগ করেননি, তাই শুধুমাত্র তাদের আশ্বাস নয়, দৃশ্যমান অগ্রগতির পরেই শিক্ষার্থীরা মাঠ পর্যায়ের আন্দোলন ছাড়বে। এবং যেহেতু ১৪ অক্টোবরের ভর্তি পরীক্ষা আসন্ন, তাই ভর্তি পরীক্ষার পূর্বেই বুয়েট ক্যাম্পাসে সকল শিক্ষার্থীর জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যেহেতু দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ১২,০০০ শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবার বুয়েট ক্যাম্পাসে আসবেন ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য, তাই তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের খাতিরেই প্রশাসনের কাছে পাঁচটি দাবি তুলে দেয়া হয় যেগুলো মেনে নিলে ১৪ অক্টোবর ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার মত পরিবেশ রয়েছে বলে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মেনে নেয়া হবে। এই পাঁচটি দাবি নতুন কোন দাবি ছিল না, বরং আগের দশটি দাবির মধ্যেই যেগুলো প্রশাসনের পক্ষে তৎক্ষণাৎ প্রয়োগ করা সম্ভব ছিল, সেগুলোরই দৃশ্যমান অগ্রগতি। দাবিগুলো ছিল নিম্নরূপঃ</p>



<p class="has-medium-font-size">১। আবরার ফাহাদের হত্যামামলায় জড়িত সকল আসামীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করতে হবে এবং পরবর্তীতে মামলার চার্জশিট গঠিত হলে চার্জশিট অনুযায়ী অভিযুক্ত সকলকে অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে, এ মর্মে নোটিশ দিতে হবে।</p>



<p class="has-medium-font-size">২। আবরার ফাহাদের হত্যাকান্ডের মামলা চলাকালীন সকল খরচ বুয়েট প্রশাসন বহন করবে এবং আবরারের পরিবারকে বুয়েট প্রশাসন থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরন দিতে হবে; এই মর্মে নোটিশ দিতে হবে।</p>



<p class="has-medium-font-size">৩। বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল ধরণের সাংগঠনিক রাজনীতি নিষিদ্ধের নোটিশ দিতে হবে এবং পরবর্তীতে কোনো শিক্ষার্থী সাংগঠনিক রাজনীতিতে অংশ নিলে অথবা কোনোরূপ শিক্ষার্থী নির্যাতনে সংযুক্ত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেলে সেক্ষেত্রে কিরূপ শাস্তি হবে তার বিধান নিয়ে নোটিশ দিতে হবে। পরবর্তীতে এই শাস্তির বিধান বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ডিন্যান্সে সংযুক্ত করা হবে এটিও নোটিশে উল্লেখ করতে হবে।</p>



<p class="has-medium-font-size">একইসাথে, বুয়েটের হলগুলোতে যেসব ছাত্র অবৈধভাবে সিট দখল করে আছে তাদেরকে হলগুলো থেকে উৎখাত করতে হবে, যেসব ছাত্রসংগঠনগুলোর অফিস বিভিন্ন হলে রয়েছে সেসব অফিস সিলগালা করতে হবে।&nbsp;</p>



<p class="has-medium-font-size">৪। বুয়েটের অভ্যন্তরীণ BIIS একাউন্টে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ প্রদানের জন্য একটা সাধারন প্ল্যাটফর্ম যোগ করতে হবে এবং এই প্ল্যাটফর্মের নিয়মিত তদারকির জন্য কমিটি গঠন করতে হবে। প্ল্যাটফর্ম যোগ করা এবং কমিটি গঠন করা নিয়ে অবিলম্বে নোটিশ দিতে হবে।&nbsp;</p>



<p class="has-medium-font-size">৫। সকল হলের সকল ফ্লোরের প্রতিটি উইং এর দুইপাশেই সিসিটিভি ক্যামেরা লাগাতে হবে এবং ক্যামেরার ফুটেজ নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করে প্রশাসনিক নোটিশ দিতে হবে।&nbsp;</p>



<p class="has-medium-font-size">শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে প্রেস ব্রিফিং এ জানানো হয় যে দশদফা দাবির ভিত্তিতে যে আন্দোলন তা চলবেই, কিন্তু যেহেতু ১৪ অক্টোবরের ভর্তি পরীক্ষাইয় দেশের প্রায় ১২,০০০ শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকরা চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হতে পারে, তাই এই পাঁচটি দাবি মেনে নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হলে বুয়েট ক্যাম্পাসে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার মত পরিবেশ নিশ্চিত করা যাবে। এবং সেক্ষেত্রে ১৪ অক্টোবর ভর্তি পরীক্ষা নিতে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ সহযোগীতা করা হবে।&nbsp;</p>



<p class="has-medium-font-size">প্রকৃতপক্ষে এই পাঁচটি দাবি ১১ অক্টোবর রাতেই প্রশাসনের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয় যার প্রেক্ষিতে প্রশাসন পদক্ষেপ নেয়া শুরু করে। এর ভিত্তিতে ১১ অক্টোবর রাতেই প্রশাসন পাঁচটি আলাদা আলাদা খসড়া নোটিশের মাধ্যমে তাদের পাঁচটি দাবি মেনে নেয়ার অবস্থান জানায়। এরপর ১২ অক্টোবর সকাল থেকেই বুয়েটের হলগুলো থেকে অবৈধ শিক্ষার্থীদের উচ্ছেদ করা এবং সাংগঠনিক রাজনীতির অফিসগুলো সিলগালা করার কাজ শুরু করা হয়। এইদিনই বুয়েটের আহসানুল্লাহ হলে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জামিউস সানি এর রুম সিলগালা করা হয়। একইসাথে তিতুমীর হল এবং আহসানুল্লাহ হলে নতুন সিসিটিভি নিয়ে এসে লাগানোর কাজ শুরু করা হয় এবং যেসব সিসিটিভি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট সেসব রিপ্লেস করার কাজও শুরু করা হয়। বুয়েটের BIIS একাউন্টে অভিযোগ দেয়ার প্ল্যাটফর্মটি যোগ করা একটা সময়সাধ্য কাজ হওয়ায় তা তৎক্ষণাৎ করা সম্ভব না হলেও প্রশাসন থেকে নোটিশ দেয়া হয় এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কমিটি গঠন করা হয়। যেহেতু ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের দেয়া পাঁচটি দাবির প্রতিটি মেনে নেয়া হয় এবং প্রতিটি দাবির ক্ষেত্রে অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়, তাই সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রেস ব্রিফিং এ ১৩ এবং ১৪ অক্টোবর, দুইদিনের জন্য মাঠ পর্যায়ের আন্দোলন স্থগিত করার ঘোষণা দেন। একইসাথে তারা ঘোষণা দেন যে ১৪ অক্টোবর তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ভর্তি পরীক্ষাকে সুষ্ঠ ভাবে হওয়ার জন্য তারা সর্বোচ্চ সহযোগীতা করবেন। শিক্ষার্থীরা আরও জানিয়ে দেন যে দুইদিনের জন্য আন্দোলন শিথিল হলেও তা শেষ নয়। ভর্তি পরীক্ষার পরে এই দুইদিনের পরিস্থিতির উপর বিবেচনা করে আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচী জানানো হবে বলে জানিয়ে দেয়া হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>১১ অক্টোবর, ২০১৯</title>
		<link>/2020/10/05/11-oct-2019/</link>
					<comments>/2020/10/05/11-oct-2019/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Oct 2020 11:48:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আন্দোলনের দিনগুলি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://abrarfahadarchive.org/?p=2172</guid>

					<description><![CDATA[৮ অক্টোবর, ২০১৯ সাল থেকে শুরু হওয়া বুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের অন্যতম মূখ্য একটি দাবি ছিল ভিসিকে আন্দোলনকারীদের কাছে উপস্থিত হয়ে তার ঘটনাস্থলে (শেরে বাংলা হল) ৩০ ঘন্টা পরেও উপস্থিত না হওয়া এবং বুয়েট কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত আবরার ফাহাদের জানাজায় উপস্থিত না হওয়ার জন্য জবাবদিহি করতে হবে। এই প্রেক্ষিতে ৯ অক্টোবর শিক্ষার্থীদের সাথে দেখা করলেও তিনি &#8230;<p class="read-more"> <a class="" href="/2020/10/05/11-oct-2019/"> <span class="screen-reader-text">১১ অক্টোবর, ২০১৯</span> Read More &#187;</a></p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-medium-font-size">৮ অক্টোবর, ২০১৯ সাল থেকে শুরু হওয়া বুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের অন্যতম মূখ্য একটি দাবি ছিল ভিসিকে আন্দোলনকারীদের কাছে উপস্থিত হয়ে তার ঘটনাস্থলে (শেরে বাংলা হল) ৩০ ঘন্টা পরেও উপস্থিত না হওয়া এবং বুয়েট কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত আবরার ফাহাদের জানাজায় উপস্থিত না হওয়ার জন্য জবাবদিহি করতে হবে। এই প্রেক্ষিতে ৯ অক্টোবর শিক্ষার্থীদের সাথে দেখা করলেও তিনি যথাযথ উত্তর না দিয়েই স্থান ত্যাগ করেন। এরপর ১১ অক্টোবর বিকেল ৫ টায় বুয়েট অডিটরিয়ামে শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী সকল শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে এবং মিডিয়ার উপস্থিতিতে তিনি আলোচনায় বসতে রাজি হন, তবে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয় যে তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্ব শিক্ষার্থীদেরকে নিতে হবে। এজন্য আন্দোলঙ্কারী ছাত্রদের পক্ষ থেকে কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়ঃ</p>



<p class="has-medium-font-size">১. অডিটোরিয়াম এর ভিতরে শুধুমাত্র কারেন্ট ব্যাচের ছাত্ররা (১৫, ১৬, ১৭, ১৮) ভিসি স্যারের সাথে কথা বলবেন। কোনো এলাম্নাই বা বহিরাগতরা ভিতরে আসতে পারবেনা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্টের ১৩ ও ১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এই প্রোগ্রামে আসতে পারবেন ।</p>



<p class="has-medium-font-size">২. কারেন্ট সকল স্টুডেন্টকে আইডি কার্ড সাথে রাখার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়াও অপরিচিত কেউ যেন না আসে সেজন্য অডিটোরিয়ামের মুখে ৪ টি টেবিলে ৩-৪জন করে প্রতি ব্যাচ থেকে রাখা হবে যারা পরিচয় নিশ্চিত ও চেকিং করে ছাত্রদের অডিটোরিয়ামে ঢুকতে দিবে। সাড়ে তিনটা থেকে এই চেকিং বিষয়ক প্রসেস শুরু করতে হবে।</p>



<p class="has-medium-font-size">৩. সংবাদ মাধ্যমগুলোকে আলাদা গেট দিয়ে ঢোকানো হবে। শুধুমাত্র ন্যাশনাল লেভেলের পত্রিকা, টিভি চ্যানেল ছাড়া অন্য কেউ ভিতরে থাকতে পারবেন না।</p>



<p class="has-medium-font-size">৪. সাংবাদিকের জন্য বিকাল ৪ টা থেকে অডিটোরিয়ামে প্রবেশের সময় &#8220;টেম্পোরারি প্রেস পাশ&#8221; দেয়া হবে।</p>



<p class="has-medium-font-size">৫. কোনো টিভি চ্যানেল লাইভে যাবেনা। এটি তাদের অফিসে আগেই কনফার্ম করতে হবে। এ ব্যাপারে পূর্বেই তাদের অবহিত করা হবে। তাছাড়া তারা কোনো ধরনের প্রশ্ন করতে পারবেন না। এটা ভিসি স্যার ও সাধারণ ছাত্রদের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা। তারা শুধুমাত্র উপস্থিত থাকবেন।</p>



<p class="has-medium-font-size">৬. অডিটোরিয়ামের গেট খোলার পর থেকেই ছাত্ররা অবস্থান করবে এবং পরবর্তীতে কোনো বহিরাগতদেরকে ভিতরে পাওয়া গেলে তাদের সম্মানের সহিত বাইরে নিয়ে আসা হবে।</p>



<p class="has-medium-font-size">৭. কথা বলার যথোপযুক্ত পরিবেশ থাকবে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হবে।</p>



<p class="has-medium-font-size">সর্বোপরি ভিসি স্যারের যে কোন অসুবিধা যাতে না হয় সে ব্যাপারে আমরা সচেষ্ট থাকবো।</p>



<p class="has-medium-font-size">১১ অক্টোবর সকাল থেকে শিক্ষারথীরা ক্যাম্পাসে জড়ো হতে থাকে। শিক্ষারথীদের মধ্য থেকে একটা সেল গঠণ করা হয়, যারা ভিসিকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবে। সকাল ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে প্রশ্ন ও প্রস্তাব তৈরি করা হয়। দুপুরের পর থেকে শিক্ষার্থী ও মিডিয়া সমাগম বাড়তে থাকে। এর আগেই বুয়েট ক্যাম্পাসের মেইন গেটের দুইপাশের পকেট গেট বাদে প্রতিটি গেট বন্ধ করে তালা দিয়ে দেয়া হয়। মেইন গেটের দুইপাশের পকেট গেট গুলো দিয়ে ৩:৩০ থেকে শিক্ষার্থীরা ঢুকতে শুরু করে। এসময় প্রাথমিকভাবে তাদের আইডি চেক করে ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেয়া হয়।&nbsp;</p>



<p class="has-medium-font-size">বুয়েট অডিটরিয়ামের সামনে দ্বিতীয় স্তরের নিরাপত্তা হিসেবে বিভিন্ন টেবিলে শিক্ষার্থীদের আদ্যোপান্ত চেক করা হয়। একইসাথে মিডিয়া ও প্রেসের জন্য সম্পূর্ণ একটি আলাদা গেট রাখা হয়, যেখানে চেক করার মাধ্যমে তাদের আলাদা একটি পাস দিয়ে দেয়া হয়। তৃতীয় স্তরের চেকিং হিসেবে অডিটরিয়ামে ঢুকার সময় আবারো আইডি কার্ড এবং মিডিয়ার ক্ষেত্রে মিডিয়া পাস চেক করা হয়। অডিটরিয়ামের ভিতর জায়গা সংকট থাকায় অডিটরিয়ামের বাইরে সাউন্ড বক্সের সাহায্যে ভেতরের কথোপকথন বাইরে শোনার ব্যবস্থা করা হয়। সবশেষে ভিসি স্যার উপস্থিত হলে শিক্ষারথীরা তার জন্যে মানব শিকল তৈরি করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মাধ্যমে তাঁকে অডিটোরিয়াম পর্যন্ত পৌছে দেয়।</p>



<figure class="wp-block-image is-resized"><img loading="lazy" src="https://lh3.googleusercontent.com/JgnQxl5bzKaNpHds2muaiQLFl0lex6dY8DCCU9y87N2wdJY3wuKueKP6O6exkE5ujJTfTIEh2XDnNqUZ1S3CpnXfkw3p8fmGMOiRA45oHackce-vHKRJYuIeqQPLA3SAQ5sjc7Q" alt="" width="697" height="523"/></figure>



<p class="has-medium-font-size">ভিসি স্যার উপস্থিত হলেই শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা সভা শুরু হয়। এসময় মাননীয় ভিসি মহোদয় শিক্ষার্থীদের ১০টি দাবির কথাই বলেন এবং এর মধ্যে সবকটি পূরণের আশ্বাস দেন। তিনি শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে আবরার ফাহাদের হত্যার সাথে অভিযুক্ত সকলকে সাময়িকভাবে বহিস্কার করেন। এবং তিনি জানান পুংখানুপুংখ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকেই আজীবন বহিস্কার করা সম্ভব নয়। মামলা চলাকালীন সকল খরচ বুয়েট প্রশাসনের দেয়া এবং আবরারের পরিবারকে সকল ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, এমন দাবিতে তিনি বলেন যে আবরারের পরিবার যে ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করবে, তাদেরকে সেটাই দেয়া হবে। বুয়েটে সাংগঠনিক রাজনীতি বন্ধের ব্যপারে মাননীয় ভিসি বলেন,&nbsp; তিনি তাঁর নিজস্ব ক্ষমতাবলে এই মুহূর্তে বুয়েটে সকলপ্রকার সাংগঠনিক রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করছেন। এ পর্যায়ে তাকে সাংগঠনিক রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকাটা চিরস্থায়ী কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন <strong>“চিরস্থায়ী তো তুমিও না, আমিও না ! &#8220;</strong> </p>



<p class="has-medium-font-size">এছাড়াও তিনি বাকি সবগুলো দাবি মেনে নেয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে আশ্বাস দেন। সবশেষে ভিসি মহোদয় শিক্ষার্থীদের&nbsp; অনুরোধ করেন ১৪ অক্টোবর আসন্ন বুয়েটে স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নিতে যেন শিক্ষার্থীরা সহযোগীতা করে। তবে শুধুমাত্র মৌখিক আশ্বাসেই পরিতৃপ্ত নয় শিক্ষার্থীরা, তারা চান দৃশ্যমান অগ্রগতি। তাদের চাওয়ার পেছনে আছে এর আগে বিভিন্নরকম আন্দোলনের ঘটনায় মিথ্যে আশ্বাস দিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরানোর পর আশ্বাস পূরণ না করার ঘটনা। এবং এজন্যই শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয় যেসব দাবি মেনে নেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষে সম্ভব,অন্তত সেগলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা হবেনা।</p>



<figure class="wp-block-image is-resized"><img loading="lazy" src="https://lh5.googleusercontent.com/lMrdhyNxE7BG4TzCtuFBAr_ZVlwFfPOZDJZmDa8Mw_Q9ekr-l_FXJTjmVOqU3JboMYP7jbwhuV-aGXbtLxSjqoudB16GEgODUxTuD24to7VACyv31Z88F9edSS_94YfDu-TTGvk" alt="" width="611" height="409"/></figure>



<p class="has-medium-font-size">&nbsp;এই মিটিং এর তাৎপর্য অনেক গভীর ছিলো। বুয়েটে দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ ছাত্ররাজনীতি (কার্যত ছিল না) পুনরায় ভিসির আদেশে নিষিদ্ধ হলো।</p>



<p class="has-medium-font-size">এরই প্রতিক্রিয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে অবস্থিত লীগ কর্নারে গিয়ে সাদা রঙ দিয়ে বুয়েট ছাত্রলীগের লোগো মিশিয়ে দেয়। সেই সাদা রঙ দিয়েই ডেল ক্যাফের লীগ কর্নারের দিকের দেয়ালে “মুক্তি কর্নার” লিখে দেয়া <strong></strong></p>



<p class="has-medium-font-size">হয়। ১১ অক্টোবর ২০১৯, সন্ধ্যা সাতটার দিকে জন্ম নেয় <strong>“মুক্তি কর্নার”।</strong></p>



<p class="has-medium-font-size">ভিসির সাথে আলোচনার প্রায় ঘন্টাখানেক পর শিক্ষার্থীরা প্রেস ব্রিফিং করে তাদের সিদ্ধান্ত জানান। এসময় তারা জানান, যেহেতু ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিবেশ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার অনুকূল নয় এবং পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এখনো সুনিশ্চিত নয়, তাই পরিবেশ অনুকূল হওয়া ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য ৫টি দাবি পূরণ করতে হবে। এই দাবিগুলো যেদিনই কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে পূরণ করা হবে, তার পরের যেকোনো দিনই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারবে। তবে এই দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বুয়েট ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারবেনা। আবার, এ পাঁচটি দাবি পূর্ণ হয়ে গেলে স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারলেও , শিক্ষার্থীদের ১০ টি দাবির প্রতিটি সম্পূর্ণভাবে পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থামবে না, এবং শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরে যাবেনা। তাদের উল্লিখিত পাঁচটি দাবি হলোঃ</p>



<p class="has-medium-font-size">১) আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় জড়িত সকলকে এখন থেকে সাময়িক বহিষ্কার করতে হবে। যাদের বিরুদ্ধে চার্জশীটে অভিযোগ আসবে,তাদেরকে অবিলম্বে বুয়েট প্রশাসন স্থায়ী বহিষ্কার করবে এই মর্মে অফিশিয়াল নোটিশ দিতে হবে।<br><br>২) আবরার হত্যা মামলার সকল খরচ বুয়েট প্রশাসন বহন করবে এবং আবরার ফাহাদের পরিবারকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ বুয়েট কর্তৃপক্ষ দিতে বাধ্য থাকবে এই মর্মে অফিশিয়াল নোটিশ অবিলম্বে দিতে হবে।<br><br>৩) বুয়েটে সাংগঠনিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ এই মর্মে নোটিশ দিতে হবে। সকল হল থেকে অবৈধ ছাত্র(যাদের বুয়েটে শিক্ষাকাল শেষ) উৎখাত করতে হবে , অবৈধ ভাবে হলের সিট দখলকারীদের(যারা হলে একাধিক সিট দখল করে রাখে) হল থেকে উৎখাত করতে হবে, সাংগঠনিক ছাত্র সংগঠন গুলোর অফিসরুম সিলগালা করতে হবে। সাংগঠনিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়ার পরে ভবিষ্যতে কেউ এরূপ সাংগঠনিক কার্যক্রমে জড়িত থাকলে কিংবা কোনোরূপ ছাত্র নির্যাতনে জড়িত কাউকে পাওয়া গেলে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কি পদক্ষেপ নিবে-তা বিস্তারিত নোটিশে জানাতে হবে এবং পরবর্তীতে এটি অর্ডিনেন্সে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও নোটিশে উল্লেখ করতে হবে। এ ধরনের কার্যক্রম তদারকির জন্য একটি কমিটি গঠন করে অফিশিয়াল নোটিশ আকারে দিতে হবে।<br><br>৪) বুয়েটে পূর্বে ঘটে যাওয়া সকল ছাত্র নির্যাতন, হয়রানি ও র&#x200d;্যাগিং এর ঘটনা এবং ভবিষ্যতে ঘটা এরূপ যেকোনো ঘটনা প্রকাশের জন্য BIIS একাউন্টে একটি ‘Common Platform’ সংযুক্ত করতে হবে। এর পূর্ণ মনিটরিং ও শাস্তি বিধানের জন্য কমিটি গঠন করে অবিলম্বে অফিশিয়াল নোটিশ আকারে দিতে হবে।<br><br>৫) প্রত্যেক হলের সবগুলো ফ্লোরের সকল উইংয়ের দুইপাশে সিসিটিভি ক্যামেরা সংযুক্ত করতে হবে এবং অতিদ্রুত সিসিটিভি ফুটেজের সংরক্ষন ব্যবস্থা করে সার্বক্ষণিক মনিটরিং নিশ্চিত করতে অফিশিয়াল নোটিশ দিতে হবে।</p>



<p class="has-medium-font-size">এরই প্রেক্ষিতে ১১ তারিখ রাতে বুয়েট কতৃপক্ষ একটি অফিস আদেশ ও চারটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।&nbsp;</p>



<p class="has-medium-font-size">আদেশ ও বিজ্ঞপ্তি গুলোর ড্রাইভ লিংকঃ</p>



<p class="has-medium-font-size"><a href="https://drive.google.com/drive/folders/1T1-72J4lOIpKmKAVljH2hpj-6gbUqrQ7?usp=sharing">https://drive.google.com/drive/folders/1T1-72J4lOIpKmKAVljH2hpj-6gbUqrQ7?usp=sharing</a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>/2020/10/05/11-oct-2019/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>১০ অক্টোবর, ২০১৯</title>
		<link>/2020/10/05/10-oct-2019/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Oct 2020 11:41:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আন্দোলনের দিনগুলি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://abrarfahadarchive.org/?p=2170</guid>

					<description><![CDATA[এই দিনটার শুরু হয় আগের দুই দিনের মতোই। ছাত্ররা তাদের ভাইয়ের হত্যার বিচারের জন্য ক্যাম্পাসের সামনের রাস্তায় সমবেত হয় সকাল থেকেই। কেউ হয়তো দেয়ালে আলপনা আঁকছিল, কেউ হয়তো আন্দোলনের মাঝে দাড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছিলো, কেউ কেউ হয়তো ভাই হারানোর বেদনায় আড়ালে চোখের পানি ফেলছিলো। তবে সবার মনে সবচেয়ে বড় যে চিন্তাটা ছিলো, তা হচ্ছে, &#8220;ভিসি স্যারের &#8230;<p class="read-more"> <a class="" href="/2020/10/05/10-oct-2019/"> <span class="screen-reader-text">১০ অক্টোবর, ২০১৯</span> Read More &#187;</a></p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-medium-font-size">এই দিনটার শুরু হয় আগের দুই দিনের মতোই। ছাত্ররা তাদের ভাইয়ের হত্যার বিচারের জন্য ক্যাম্পাসের সামনের রাস্তায় সমবেত হয় সকাল থেকেই। কেউ হয়তো দেয়ালে আলপনা আঁকছিল, কেউ হয়তো আন্দোলনের মাঝে দাড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছিলো, কেউ কেউ হয়তো ভাই হারানোর বেদনায় আড়ালে চোখের পানি ফেলছিলো। তবে সবার মনে সবচেয়ে বড় যে চিন্তাটা ছিলো, তা হচ্ছে, &#8220;ভিসি স্যারের সাথে মিটিং&#8221;।</p>



<p class="has-medium-font-size">সকাল আন্দোলনমুখর কাটার পর, বিকালের বৃষ্টি যেনো ছাত্রমনে কিছুটা কোমল পরশ হিসেবে আসে। সেদিন বিকালে আসরের নামাজের পর, বুয়েটের কেন্দ্রীয় মসজিদে আবরার ফাহাদের জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।</p>



<p class="has-medium-font-size">তারপর ভিসি স্যারের পিএস এবং মেকানিকাল ডিপার্টমেন্টের আরিফ স্যার ৬টায় ছাত্রদের সাথে দেখা করতে আসে আর দেখা করে জানায় যে ভিসি স্যার ছাত্রদের সাথে দেখা করতে সম্মত হয়েছেন। কিন্তু প্রথমে আরিফ স্যার জানায়, সব ব্যাচ থেকে মাত্র ২০-৩০ জনের সাথে প্রেসের অনুপস্থিতিতে ভিসি স্যার একাডেমিক কাউন্সিলে মিটিংয়ে বসবে। কিন্তু ছাত্রদের আগেই দাবি ছিলো যে ছাত্ররা প্রেস ছাড়া আর সবাই ছাড়া কথা বলবো না। কারন প্রত্যেক ছাত্রের অধিকার আছে, বুয়েটে তার ভাইয়ের হত্যা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানার। নেগোসিয়েশনের এক পর্যায়ে স্যার অটল থাকেন মিডিয়া ছাড়া রুদ্ধদ্বার বৈঠক করার।</p>



<p class="has-medium-font-size">ঐদিকে ছাত্ররাও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় মিডিয়ার উপস্থিতি ছাড়া মিটিং হবে না। এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ খবর আসে মিডিয়াকে ভিসি স্যারের পিএস জানিয়ে দিয়েছেন পরেরদিন ছাত্ররা মিটিংয়ে বসছে। ছাত্রদের কোন মতামত না নিয়ে মিডিয়াকে ইনফর্ম করায় ঐ সময় ছাত্রদের মাঝে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে স্যার রাজি হয়ে যান মিডিয়ার উপস্থিতিতেই অডিটোরিয়ামে বসার। তবে শর্ত জুড়ে দেন কোন লাইভ স্ট্রিমিং চলবে না, র&#x200d;্যাগ ব্যাচকে ভিসি স্যারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কারেন্ট স্টুডেন্টরা ভিসি স্যারের নিরাপত্তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেয়।</p>



<p class="has-medium-font-size">ভিসি স্যারের পিএস চলে যাওয়ার পর, ছাত্ররা বিবিধ সিদ্ধান্ত নেয় ভিসি স্যারের নিরাপত্তার জন্য। যেমন, অডিটোরিয়াম এ সবাইকে চেক করে ঢোকানো হবে, সবাই অবশ্যই আইডি কার্ড সাথে রাখবে, অডিটোরিয়াম এর সামনে চারটি গ্রুপে চার ব্যাচেরই কয়েকজন করে থাকবে এবং তারাই তাদের ব্যাচের ছাত্রদের পরিচয় ও সিকিউরিটি কনফার্ম করবে ইত্যাদি। আলাদা এক টেবিলে মিডিয়াদের পরিচয় ও সিকিউরিটি কনফার্ম করা হবে।</p>



<p class="has-medium-font-size">সব নিশ্চিত হওয়ার পর সবার মনে একটা ব্যাপারই চলতে থাকে,&#8221;আমরা আমাদের ভাইয়ের জন্য সুবিচার নিশ্চিত করতে পারবো তো?&#8221;<br>এই চরম দুশ্চিন্তা আর উৎকন্ঠার মধ্যেই রচিত হয়, আবরার হত্যা-আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার পটভূমি।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>৯ অক্টোবর, ২০১৯</title>
		<link>/2020/10/05/9-oct-2019/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Oct 2020 11:37:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আন্দোলনের দিনগুলি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://abrarfahadarchive.org/?p=2168</guid>

					<description><![CDATA[আন্দোলনের তৃতীয় দিন। আগেরদিন সন্ধ্যায় ভিসি স্যার আবরার হত্যার প্রায় চল্লিশ ঘন্টা পর প্রথমবারের মত শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি হন। তিনি কোন প্রশ্নের সদুত্তর না দিয়েই বুয়েট ত্যাগ করেন। সবার মধ্যে ক্ষোভ জমা হতে থাকে। এই ক্ষোভকে পুঁজি করেই ৯ তারিখ সকাল থেকেই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে শুরু করে। সকাল থেকেই ভিসি স্যারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা &#8230;<p class="read-more"> <a class="" href="/2020/10/05/9-oct-2019/"> <span class="screen-reader-text">৯ অক্টোবর, ২০১৯</span> Read More &#187;</a></p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-medium-font-size">আন্দোলনের তৃতীয় দিন। আগেরদিন সন্ধ্যায় ভিসি স্যার আবরার হত্যার প্রায় চল্লিশ ঘন্টা পর প্রথমবারের মত শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি হন। তিনি কোন প্রশ্নের সদুত্তর না দিয়েই বুয়েট ত্যাগ করেন। সবার মধ্যে ক্ষোভ জমা হতে থাকে। এই ক্ষোভকে পুঁজি করেই ৯ তারিখ সকাল থেকেই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে শুরু করে। সকাল থেকেই ভিসি স্যারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও উনার কোন হদিস পাওয়া যায় নি। ছাত্র-ছাত্রীরা বুয়েটের সামনের রাস্তায় অবস্থান নেয়, স্লোগানে মুখরিত হতে থাকে চারপাশ। এরপর আবরারের বন্ধুরা প্রথমবারের মত মিডিয়ার সামনে এসে ৬ অক্টোবরের ভয়াল রাতের বর্ণনা দেয় (<a href="https://www.youtube.com/watch?v=jv7C_s8eZzo">https://www.youtube.com/watch?v=jv7C_s8eZzo</a>) । নির্যাতনের পাশবিকতা ও নির্মমতা শুনে উপস্থিত অনেকেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।</p>



<p class="has-medium-font-size">৯ তারিখ এক পর্যায় বুয়েট এলাম্নাই এসোসিয়েশন থেকে প্রতিনিধি দল এসে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন। বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও বরেণ্য অভিনয়শিল্পী আবুল হায়াত বুয়েট অডিটোরিয়ামের সামনে দাঁড়িয়ে আবেগঘন বক্তব্য প্রদান করেন (<a href="https://www.youtube.com/watch?v=4ch1JaHG-Gw">https://www.youtube.com/watch?v=4ch1JaHG-Gw</a>) । এরপর জাতীয় অধ্যাপক, প্রয়াত ডঃ জামিলুর রেজা চৌধুরী স্যারের নেতৃত্বে মিডিয়ার সামনে এলাম্নাই এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ভিসি স্যারের পদত্যাগসহ ৭ দফা দাবি পেশ করা হয় (<a href="https://www.youtube.com/watch?v=hUjxo1noGjM">https://www.youtube.com/watch?v=hUjxo1noGjM</a>)&nbsp; । এরই মাঝে সংবাদ আসে ভিসি স্যার কুষ্টিয়া রওনা হয়েছেন আবরার ফাহাদের পরিবারের&nbsp; সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কারো সাথে কোন প্রকার আলোচনা না করে ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যাওয়ায় উপস্থিত ছাত্রদের মাঝে উত্তেজনা ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। এসময় স্যারের সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। স্যারের পিএস কল রিসিভ করেন এবং জানান স্যার এই মূহুর্তে কথা বলতে রাজি না (<a href="https://www.youtube.com/watch?v=g3JRarRZ-jA&amp;feature=youtu.be">https://www.youtube.com/watch?v=g3JRarRZ-jA&amp;feature=youtu.be</a>)। এই উত্তরের ফলে শিক্ষার্থীদের মাঝে অসন্তোষ বৃদ্ধি পায়। এমন সময় নিজেদের মধ্যে বৈঠক শেষে শিক্ষক সমিতির সদস্যরা ছাত্রদের সামনে আসেন। সেখানে শিক্ষক সমিতির সভাপতিসহ অন্যান্য স্যারেরা মিডিয়ার সামনে কথা বলেন। এরপর ছাত্রকল্যাণ পরিচালক শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি হন (<a href="https://www.youtube.com/watch?v=6WlCUvoA9io">https://www.youtube.com/watch?v=6WlCUvoA9io</a>) । সেখানে ছাত্ররা ৬ই অক্টোবর রাতে তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।</p>



<p class="has-medium-font-size">এদিকে কুষ্টিয়া গিয়ে ভিসি স্যার আবরারের কবর জিয়ারত করেন। সেখানে সংবাদমাধ্যম পুরো ঘটনায় তার নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুললে তিনি সুনির্দিষ্ট কোন জবাব দিতে ব্যর্থ হন। এরপর আবরার ফাহাদের ছোট ভাইয়ের ভিসি স্যারের কথা বলার সময় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়, ভিসি স্যারের আগমনকে ঘিরে এলাকাবাসী বিক্ষোভ করতে থাকে। এমন সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দৃশ্যপটে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর আবির্ভাব ঘটে। আবরার ফাহাদের ছোট ভাই ও তার ভাবীর গায়ে পুলিশ হাত তুলেছে বলে আবরারের পরিবার থেকে অভিযোগ করা হয় (<a href="https://www.youtube.com/watch?v=CoGRihHcpqE">https://www.youtube.com/watch?v=CoGRihHcpqE</a>) । ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভিসি স্যার আবরারের মায়ের সাথে দেখা না করেই ঢাকায় ফিরে আসেন।</p>



<p class="has-medium-font-size">৯ তারিখের দিনের আলো ধীরে ধীরে পড়ে আসতে শুরু করে। সন্ধ্যার সময় অনুষ্ঠিত হয় আবরার স্মরণে বুয়েট শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন। মোমবাতির দৃপ্ত শিখার দিকে তাকিয়ে সবাই অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়, এই বন্ধুর পথ একত্রে পাড়ি দিতে হবে সুবিচার নিশ্চিতের জন্য</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
